কার পক্ষে যাবে বিএনপির লোকজন? ভোটতো নৌকার পক্ষেই যায়: তৈমূর

কার পক্ষে যাবে বিএনপির লোকজন ভোটতো নৌকার পক্ষেই যায় তৈমূর

‘দলের অনেকে আমাকে নির্বাচনে থাকতে ফোন করেছে, এসএমএস করে উৎসাহ দিয়েছে। তখন কিন্তু দল থেকে কোনো বাধা আসেনি। দল থেকে আমাকে কখনো বলা হয়নি যে, নির্বাচন করা যাবে না। তবে দলের পল্টন অফিস থেকে কোনো কোনো নেতা বলেছেন, নেতাকর্মীরা যেন আমার পক্ষে না যায়। তাহলে আমার পক্ষে না গেলে কার পক্ষে যাবে বিএনপির লোকজন? সেক্ষেত্রে ভোটটা তো নৌকার পক্ষেই যায়।’- তৈমূর



সেবা ডেস্ক: ‘দল না চাইলেও নারায়ণগঞ্জের খেটে খাওয়া মানুষের চাপে আমি নির্বাচন করেছি। নানা কারণে আমি প্রার্থী হয়ে ছিলাম। দলের অনেকে আমাকে নির্বাচনে থাকতে ফোন করেছে, এসএমএস করে উৎসাহ দিয়েছে। তখন কিন্তু দল থেকে কোনো বাধা আসেনি। দল থেকে আমাকে কখনো বলা হয়নি যে, নির্বাচনে যাবে না। তবে দলের পল্টন অফিস থেকে কোনো কোনো নেতা বলেছেন, নেতাকর্মীরা যেন আমার পক্ষে না যায়। তাহলে আমার পক্ষে না গেলে কার পক্ষে যাবে বিএনপির লোকজন? সেক্ষেত্রে ভোটটা তো নৌকার পক্ষেই যায়।’ বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর খুব আক্ষেপের সাথে সংবাদ সন্মেলনে কথাগুলো বলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হয়ে পরাজয় বরণ করা তৈমূর আলম খন্দকার।

বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর মাসদাইর এলাকায় নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন তৈমূর।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি দল পরিবর্তন করবো না। আমি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। দল আমাকে বহিস্কার করলেও আমি একজন সমর্থক ও কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেই যাবো। বিএনপি যেটা ভালো মনে করেছে, সেটা করেছে। দল আমাকে আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে মুক্তি দিয়েছে। আমি খেটে খাওয়া মানুষের জন্য রাজনীতি করব।’

এদিকে, দলের এমন সিদ্ধান্তে হতাশাও প্রকাশ করে তৈমূর বলেন, ‘২০১১ সালের প্রথম সিটি নির্বাচনে বিএনপি আমাকে বসিয়ে দিলো আর কুমিল্লার সাক্কুকে নির্বাচন করতে না করলো। তারপরও সে করলো। আর এখন দল নির্বাচনে যাবে না তারপরও আমাকে বহিষ্কার করা হলো। এটাই যদি দেশের রাজনীতি ও সংস্কৃতি হয়ে থাকে তাহলে এটাই মেনে নিতে হবে।’

তবে দলের সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রতিবাদ করবেন না জানিয়ে তৈমূর বলেন, ‘দল আমার ব্যপারে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমি সে ব্যাপারে কোনো প্রতিবাদ করব না। কারণ, আমি দলের প্রতি অনুগত। 

তৈমূর আরও বলেন, ‘আমি বিএনপির সমৃদ্ধি কামনা করি। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করি, আপনি দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেন, ইতিহাসে আপনার নামটা লেখান।’

মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালের বিষয়ে তৈমূর বলেন, আমার সাথে যা হওয়ার হয়েছে। কিন্তু এটিএম কামালের সাথে যা হয়েছে তা ঠিক হয়নি। কারণ, এমন একটা ত্যাগী কামাল তৈরি হবে না।’ 


শেয়ার করুন

-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

,

0comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।