কুড়িগ্রামে বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার কাজে প্রশংসা

🕧Published on:

 : কুড়িগ্রাম ফরকেরহাট কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার কাজ শেষ করা হয়েছে।  ইউনিয়ন পরিষদের কাবিটা বরাদ্দে এই কাজ করা হয়। মাঠ সংস্কারের কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পূর্ন করায়  ছাত্র, অভিভাবক, খেলোয়াড়, স্থানীয় ক্রিড়ানুরাগী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ প্রশংসা করেছে ।

কুড়িগ্রামে বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার কাজে প্রশংসা



 জানা গেছে, ১৯৫৯ ইং স্থাপিত-এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠটি উমর মজিদ ইউনিয়নে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রায় সারা বছরেই ইউনিয়নে বিভিন্ন খেলার আয়োজন থাকে এই মাঠে। এছাড়াও বিভিন্ন সভা,সেমিনার ও সমাবেশের জন্য উত্তম স্থান হিসেবে প্রসিদ্ধ এই খেলার মাঠটি। 

১৯৯৬ ইং সালে মাঠটি একবার  সংস্কার করার পর থেকে  আর কোন সংস্কারের কাজ করা হয়নি। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে মাঠের বিভিন্ন স্থানে খাল খন্দের সৃষ্টি হয়ে অনুপযোগী মাঠে পরিনত হয়। 

পূনরায় দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর গত বছরের শেষের দিকে পূনরায় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী সরদারের দেওয়া প্রকল্প অনুযায়ী ২০২২-২০২৩ইং অর্থ বছরে ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় ৪ লক্ষ টাকার কাবিটা বরাদ্দে এই কাজটি শুরু করা হয়। 

প্রধান শিক্ষক খন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, বরাদ্দ পেয়ে মাঠ সংস্কারের কাজ গত বছরের শেষের দিকে শুরু করেছিলাম। মাঠে মাঠে কৃষকের ধান থাকায় মাঠির অভাবে কাজটি সমাপ্ত করতে বিলম্ব হয়েছে। নতুন বছরের শুরুতেই কাজটি সমাপ্ত করতে পেরেছি। 

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী সরদার বলেন, স্কুলের মাঠটি কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ হওয়ায় এর সংস্কার জরুরী হয়ে পরে। আমি চেয়ারম্যান থাকা কালীন সময় প্রকল্প দিয়েছিলাম। 

তারই ফলশ্রæতিতে মাঠটির সংস্কার কাজ শতভাগ সফল করা সম্ভব হলো। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আদিল বলেন, সাবেক চেয়ারম্যানের দেওয়া প্রকল্প অনুযায়ী মাঠ সংস্কার কাজের জন্য কাবিটা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। 

কাজটি সম্পূর্ন হওয়ায়  বিদ্যালয়ে ছাত্র, অভিভাবক, খেলোয়াড় ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে আনন্দ  উল্লাস করতে দেখা গেছে। 



শেয়ার করুন

সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

0comments

মন্তব্য করুন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।