মূখোশের বাইরে ইমরান এইচ সরকারের আসল রূপ
মূখোশের বাইরে ইমরান এইচ সরকারের আসল রূপ

মূখোশের বাইরে ইমরান এইচ সরকারের আসল রূপ

সেবা ডেস্ক:  গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে বাংলাদেশের এক শ্রেণীর মানুষের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন ইমরান এইচ সরকার। মূলত এই শ্রেণীর মানুষরা শিক্ষিত ও বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক। গণজাগরণ মঞ্চের মাধ্যমে দেশের জনগণের কাছে পরিচিতি পেলেও সে পরিচিতিকে পুঁজি করে দেশের রাজনীতিতে সম্মুখে অগ্রসর হতে চাইছে ইমরান এইচ সরকার। ইমরান এইচ সরকারের প্রতি এক শ্রেণী মানুষের যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা তাকে মূলধন করেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন ছক আঁকতে চাইছেন ইমরান।

গণজাগরণ মঞ্চ পরিচালনা করার সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতার সাথে ইমরানের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু সুচতুর ইমরান চতুরতার সাথে সেসব বিরোধের মীমাংসা করে ফেলেন। এরপর একে একে সব আলোচিত যুদ্ধাপরাধীর বিচারকাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে গণজাগরণ মঞ্চের সর্বেসর্বা ইমরানের কর্মপরিধি কমে আসতে থাকে। কিন্তু নতুন ফন্দি আঁটেন ইমরান। তার ব্যাপক জনপ্রিয়তাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার সুপ্ত বাসনা থেকে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করবার পরিকল্পনা করেন তিনি। এ নিয়ে কাছের মানুষ জনের সাথে কথাও বলেন তিনি। শুধু কাছের মানুষ জনের সাথেই নয়, রাজনৈতিক মহলে পরিচিত বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সাথে বিভিন্ন সময় গোপন আলোচনায় বসেন তিনি।

সরকার দলীয় কোন নেতার সাথে কৌশলে কোনো আলোচনার তিনি যাননি। এতে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন, কেননা সরকার বিরোধী কর্মকান্ডকে কাজে লাগিয়েই নতুন একটি রাজনৈতিক দলের আগমন সম্ভব।

তাই গোপনে আবডালে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেতাদের সাথে বৈঠকে বসেন তিনি। মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনে শরিক হবার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। বিএনপি ছাড়াও আ. স. ম আব্দুর রব, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও বদরুদ্দোজা চৌধুরী এর মত প্রবীণ রাজনীতিবিদদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ আছে তার। কদিন আগে এক ইফতার মাহফিলে বি. চৌধুরী তৃতীয় শক্তির প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন। আর তার নেতৃত্বে যে তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব ঘটতে পারে সে সম্পর্কে সুক্ষ্ম ধারণা পাওয়া যায় তার বক্তব্যে। ইমরান এইচ সরকারও তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব ঘটাতে চান এই প্রবীণ নেতাদের সাথে একাত্ম হয়। বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করে নিজের রাজনৈতিক জীবনের আমূল পরিবর্তন সাধন করতে চান তিনি। বিগত দিনগুলোতে সরকার বিরোধী প্রচার প্রচারণায় ইমরানের কর্মতৎপরতা পর্যবেক্ষণ করলে সহজেই অনুধাবন করা যায় যে, সে পথেই হাঁটছেন তিনি।


,