SebaBanner

আজ*

হোম
‘মাইনাস তারেক ফর্মুলায় আসতে চায় বিএনপি’র নেতা কর্মীরা

‘মাইনাস তারেক ফর্মুলায় আসতে চায় বিএনপি’র নেতা কর্মীরা

সেবা ডেস্ক: দেশের রাজনীতির ইতিহাসে চরম দুঃসময় পার করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। বিএনপি’র দলীয় অন্তঃকোন্দল সহ অগণিত সমস্যায় জর্জরিত দলটি। দিন দিন আরও ভঙ্গুর হয়ে যাচ্ছে এই দলটি।

অচিরেই এই দলের অস্তিত্ব না থাকার সম্ভাবনা আছে বলছে অনেক রাজনীতি বিশ্লেষক। জিয়া অরফানেজ দুর্নীতি মামলার দায়ে দলটির নেত্রী ও চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দী হওয়ার পর থেকে আরও নিস্তেজ হয়ে পড়েছে দলটি।

অপরদিকে তারেক জিয়া ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন পদে অধিষ্ঠিত হলেও দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় দণ্ডিত হয়ে লন্ডনে বনবাসের জীবন পার করছেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীরাই খালেদাও তারেককে ছাড়াই নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের মূলে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এসব বিষয় নিয়ে বিএনপিতে তারেক-ফখরুল দ্বন্দ্ব দলের ভেতরে বাইরে অনেকদিন ধরেই আলোচিত বিষয়। দলীয় বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধের জের ধরে তারেকের কাছে ফখরুলকে একাধিকবার অপদস্থও হতে হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

গত রোজায়তারেক রহমানমির্জা ফখরুলকে লন্ডনে ডেকে নিয়েতার সাথে কথা বললেও খুব একটা কাজে আসেনি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের সাথে এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে বসেন ফখরুল। বার্নিকাটের পরামর্শ মোতাবেক নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারে অংশগ্রহণ করার জন্য অলি আহমেদ, ড কামাল হোসেন, এবং বি চৌধুরীর সাথে গোপন বৈঠকে বসেন ফখরুল।

বিএনপির তৃণমূলের নেতারাও চাচ্ছে যে খালেদা তারেককে ছাড়া নতুন কাউকে নিয়ে নির্বাচন করা হোক। এই ক্ষেত্রে দল পুনর্গঠনের জন্য নেতাকর্মীদের সাথে বেশ কয়েকবার বৈঠক হয়েছে নির্বাচনে আগ্রহী নেতাকর্মীদের সাথে।

দল পুনর্গঠনে বিকল্প ধারার সভাপতি বি চৌধুরী, এলডিপির কর্ণেল অলি আহমেদ, গণফোরামের ড. কামাল হোসেনকে নিয়ে দল পুনর্গঠনের গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের পরামর্শে সম্প্রতি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাসায় বৈঠকে বসেন ফখরুলসহ বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা।

বৈঠকে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক সিনিয়র নেতার বরাত দিয়ে জানা যায় তারেককে সরিয়ে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসার পরামর্শ দেন বার্নিকাট। রাজনীতিতে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবাদ এর অভিযোগে তারেকের এক ধরণের নেতিবাচক ইমেজ থাকার কারণেই তিনি এই এই পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানা যায়।

পরবর্তীতে বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তারেকের পরিবর্তে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে নিয়ে আসার ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে।

দেশের রাজনীতির ইতিহাসে চরম দুঃসময় পার করছে বিএনপি।দলীয় অন্তঃকোন্দল সহ অগণিত সমস্যায় জর্জরিত দলটি। দিন দিন আরও ভঙ্গুর হয়ে যাচ্ছে এই দল। অচিরে এই দলের অস্তিত্ব না থাকার কথা বলছে অনেক রাজনীতি বিশ্লেষক।

জিয়া অরফানেজ দুর্নীতি মামলার দায়ে কারাবন্দী হওয়ার পর থেকে আরও নিস্তেজ হয়ে পড়েছে দলটি। অপরদিকে তারেক জিয়া ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন পদে অধিষ্ঠিত হলেও দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় দণ্ডিত হয়ে লন্ডনে নির্বাসিত জীবন পার করছেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীরাই খালেদাও তারেককে ছাড়াই নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের মূলে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এসব বিষয় নিয়ে বিএনপিতে তারেক-ফখরুল দ্বন্দ্ব দলের ভেতরে বাইরে অনেকদিন ধরেই আলোচিত বিষয়। দলীয় বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধের জের ধরে তারেকের কাছে ফখরুলকে একাধিক বার অপদস্থও হতে হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

গত রোজায়তারেক রহমানমির্জা ফখরুলকে লন্ডনে ডেকে নিয়েতার সাথে কথা বললেও খুব একটা কাজে আসেনি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের সাথে এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে বসেন ফখরুল। বার্নিকাটের পরামর্শ মোতাবেক নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারে অংশগ্রহণ করার জন্য অলি আহমেদ, ড কামাল হোসেন, এবং বি চৌধুরীর সাথে গোপন বৈঠকে বসেন ফখরুল।

বিএনপির তৃণমূলের নেতারাও চাচ্ছে যে খালেদা তারেককে ছাড়া নতুন কাউকে নিয়ে নির্বাচন করা হোক। এই ক্ষেত্রে দল পুনর্গঠনের জন্য নেতাকর্মীদের সাথে বেশ কয়েকবার বৈঠক হয়েছে নির্বাচনে আগ্রহী নেতাকর্মীদের সাথে।

দল পুনর্গঠনে বিকল্প ধারার সভাপতি বি চৌধুরী, এলডিপির কর্ণেল অলি আহমেদ, গণফোরামের ড. কামাল হোসেনকে নিয়ে দল পুনর্গঠনের গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের পরামর্শে সম্প্রতি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাসায় বৈঠকে বসেন ফখরুলসহ বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা।

বৈঠকে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক সিনিয়র নেতার বরাত দিয়ে জানা যায় তারেককে সরিয়ে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসার পরামর্শ দেন বার্নিকাট। রাজনীতিতে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবাদ এর অভিযোগে তারেকের এক ধরণের নেতিবাচক ইমেজ থাকার কারণেই তিনি এই এই পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানা যায়।

পরবর্তীতে বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তারেকের পরিবর্তে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে নিয়ে আসার ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে।



,